করোনা ঠেকাতে ইতালি ইরান ও কোরিয়ার অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ!

করোনা ঠেকাতে ইতালি ইরান ও কোরিয়ার অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ!

করোনা ঠেকাতে ইতালি ইরান ও কোরিয়ার অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ! করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) ঠেকাতে চীনের পর ইতালি, ইরান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের বাংলাদেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানিয়েছে, ওই ৩ দেশে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস এবং বাংলাদেশে থাকা দেশ তিনটির দূতাবাসের মাধ্যমে অন-অ্যরাইভাল ভিসা বন্ধের বিষয়টি অবহিত করা হচ্ছে। সূত্র এ-ও জানিয়েছে, ওই ৩ দেশের যে সব নাগরিক বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য ভিসা এরইমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন তাদের ঢাকাগামী ফ্লাইটে পা দেয়ার আগে ‘করোনা মুক্ত’ মোডিকেল সনদ নিতে বলা হয়েছে।

অন্যথায় তাদের ভ্রমণ না করতে নিরোৎসাহিত করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সূত্র বলছে, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের তরফে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। চীনা নাগরিকদের অন-অ্যরাইভাল ভিসা স্থগিত করা হয়েছে জানুয়ারিতেই।

এখন চীনা নাগরিকদের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যবসা বাণিজ্য বা একান্ত জরুরি না হলে কাউকেই ভিসা দেয়া হচ্ছে না। ঢাকার কর্মকর্তারা বলছেন, চীনা নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ধ হয়নি। তবে ভিসার আবেদনের সঙ্গে মেডিকেল সনদ আগেই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এখন নতুন করে তাদের সফরটি জরুরি কি-না? সেটি যাচাই সপেক্ষে ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে।

সেগুনবাগিচা বলছে, বিষয়টি এমন পর্যায়ে ঠেকেছে যে বেইজিং ও কুনমিংস্থ বাংলাদেশ মিশনের কড়াকড়িতে সরকারের কাছে ভিসার জন্য তদবির বেড়ে গেছে। অবশ্য  ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখতে সেই তদবিরে ঢাকা সাড়া দিচ্ছে। প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ঢাকা থেকে অনুমোদন বা অনুরোধ যাচ্ছে জানিয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, একটি পেইন্ট কোম্পানীতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ৭ জন চীনা নাগরিকের ভিসার অবেদন অনেক দিন ঝুলে ছিল। সম্প্রতিক তারা বিষয়টি সরকারের নোটিশে এনেছেন এবং তাদের  ভিসার প্রয়োজনীয়তা বা যৌক্তিকতা তুলে ধরেছেন। ফলে সরকারের তরফে বেইজিং মিশনকে তাদের ভিসা ইস্যুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকা কোনো চীনা নাগরিক করোনা আক্রান্ত হননি। চীনে থাকা বা চীন ফেরৎ কোনো বাংলাদেশিও করোনা আক্রান্ত নন। তবে করোনার লক্ষণ সন্দেহে ৬ জন রোগী দেশের দুটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের ব্যাপক পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে বলে সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 doinikprovateralo.Com
Desing & Developed BY Md Mahfuzar Rahman