কোরিয়ান কোম্পানি টোল আদায় করবে পদ্মা সেতুর

কোরিয়ান কোম্পানি টোল আদায় করবে পদ্মা সেতুর

নির্মাণ শেষে পদ্মা বহুমুখী সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায় করবে কোরিয়ান কোম্পানি। বুধবার কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে করপোরেশনের প্রস্তাব (কেইসি) মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অটোমেশন পদ্ধতিতে এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টোল আদায়ে একটি মাইলফলক সৃষ্টি হবে বলে মনে করছে সরকার। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে এবং জনস্বার্থে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করে কেইসিকে নিয়োগের জন্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ এর ৭৬(২) বিধিতে উল্লিখিত মূল্যসীমার ঊর্ধ্বের ক্রয়ের প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশে ঘর থেকে বের হলে কোনো না কোনোভাবে সরকারকে টোল দিতে হয়। ব্রিজ, রাস্তাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও টোল দিতে হয়, যাতে এগুলো মেনটেইন করা যায়। আমাদের দেশে এ ব্যবস্থাটি এখনো চালু করতে পারিনি। যেসব ক্ষেত্রে চালু রয়েছে সেগুলো ম্যানুয়ালি। মানুষজন অনেক কষ্ট পায়। সেগুলো এখনো আমরা অটোমেশন করতে পারিনি।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ কাজের দায়িত্ব কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে করপোরেশনকে (কেইসি) দেয়ার অনুমোদন হয়েছে। কেইসি কোরিয়ার প্রায় সব টোল ম্যানেজ করে। আমরা টোল ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে রয়েছি, যদি এদের আমরা পাই তাহলে টোল ব্যবস্থাপনায় একটা মাইলফলক সৃষ্টি হবে। সেজন্য জাতীয় স্বার্থে আমরা এ প্রস্তাবটি অনুমোদন দিয়েছি।

এছাড়া সভায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় আড়িয়াল খাঁ নদীতীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজসমূহ রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে পিপিএ-২০০৬ এর ধারা ৬৮(১) ও পিপিআর-২০০৮ এর বিধি ৭৬(২) অনুসারে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণে বাস্তবায়নের প্রস্তাব শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ প্রস্তাবটি আমরা সরাসরি অনুমোদন দিতে পারিনি। তবে শর্তসাপেক্ষে তাদের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রথম শর্ত হচ্ছে একনেকে যে প্রাইস (দাম) নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে তা বাড়ানো যাবে না। তাছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কোনো ক্রয় প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন লাগে। সে অনুমোদনও নিতে হবে। এ দুটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 doinikprovateralo.Com
Desing & Developed BY Md Mahfuzar Rahman