যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা অবরোধের হুঁশিয়ারি চীনের

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা অবরোধের হুঁশিয়ারি চীনের

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের জবাবে পাল্টা অবরোধ দেবে চীন। হংকংয়ের নিরাপত্তা আইন করার ঘটনায় সেখানে অধিকারকর্মীদের বিরুদ্ধে চীনের যেসব কর্মকর্তা নির্যাতন চালিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে অবরোধ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া মার্কিন কংগ্রেসে ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধীদের সর্বসম্মতিতে হংকং অটোনমি অ্যাক্টে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে এতদিন হংকং যে বিশেষ সুবিধা পেতো, তা আর পাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপের জবাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবরোধ দেবে চীন। রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের অনলাইন সংস্করণে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বুধবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছে। গ্লোবাল টাইমস তার রিপোর্টে বলেছে, হংকংয়ে চীন তার পবিত্র প্রতিনিধিত্ব করছে।

এর বিরুদ্ধে অসম্মান দেখিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘তথাকথিত হংকং অটোনমি অ্যাক্ট’ পাস করেছে। এর মধ্য দিয়ে হংকংয়ের জন্য জাতীয় নিরাপত্তা আইনকে দুমড়েমুচড়ে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চীনের বিরুদ্ধে অবরোধ দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে। গ্লোবাল টাইমস লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক আইন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কে মৌলিক আদর্শের ভয়াবহ লঙ্ঘন। এর মধ্য দিয়ে হংকং ও চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভয়ঙ্করভাবে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন সরকারের এমন কর্মকান্ডের ঘোর বিরোধিতা করে চীন এবং একই সঙ্গে দৃঢ়তার সঙ্গে এর নিন্দা জানায়।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার হংকং অটোনমি অ্যাক্ট নামের আইনে স্বাক্ষর করেন। এই আইনের অধীনে চীনা বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যাংকের ওপর অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়নে যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র, তা কখনোই সফল হবে না। চীন তার বৈধ স্বার্থ রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবরোধ দেবে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ভুল সংধোনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে এই আইন বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই। যেকোনো উপায়ে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। এরপরই যদি তারা সামনের দিকে অগ্রসর হয় তাহলে চীন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 doinikprovateralo.Com
Desing & Developed BY Md Mahfuzar Rahman