সবার জন্য কাজ করছি ॥ মনোনয়নে চমক- ঢাকা-১০ ও চট্টগ্রাম সিটিতে নতুন মুখ

সবার জন্য কাজ করছি ॥ মনোনয়নে চমক- ঢাকা-১০ ও চট্টগ্রাম সিটিতে নতুন মুখ

  • আওয়ামী লীগ মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ পরিবর্তনের আভাসই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনসহ বাঘা বাঘা নেতাদের সাইড লাইনে ফেলে নৌকার প্রতীক শেষ পর্যন্ত পেয়েছেন নতুন মুখ চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী। অন্যদিকে আলোচিত ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে নৌকার মাঝি হয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফসিসিআই’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।

বাকি চারটি শূন্য আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বগুড়া-১ প্রয়াত এমপি আবদুল মান্নানের সহ-ধর্মিণী সাহাদারা মান্নান, গাইবান্ধা-৩ আসনে কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি, যশোর-১ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার ও বাগেরহাট-৪ আসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আমিরুল আলম মিলন।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবনে শনিবার রাত ১১টার দিকে শেষ হওয়া আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় এসব মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয় বলে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া জনকণ্ঠকে জানান, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাতটায় গণভবনে পুনরায় মনোনয়নের বোর্ডের সভা বসে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।

বৈঠকের বিরতিতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী করতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, কে ভোট দিল কে দিল না, তা বিবেচনা করে উন্নয়নের কাজ করে না আওয়ামী লীগ। যা অতীতে বিএনপি সরকার যেটা করত, আমরা সে পথে নেই। আমরা সমগ্র বাংলাদেশে উন্নয়নে বিশ্বাসী। বাংলাদেশে গণতন্ত্র আছে, এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কেউ ভোট দিক বা না দিক, উন্নয়নের ছোঁয়াটা প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছাক, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়ায় আজ শুধু কোন অঞ্চল নয়, সারাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে। তবে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তারা যে এখন পর্যন্ত আমাদের সরকারের প্রতি আস্থা রেখেছে এজন্য ধন্যবাদ। তিনি বলেন, মুজিববর্ষে দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে দেব। আমাদের উন্নয়ন তৃণমূল পর্যন্ত হবে। তাই সবাইকে জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করতে হবে। গণতান্ত্রিক এ দেশে সবার জন্য কাজ করছে সরকার। দেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে, জনগণ উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে। আমাদের উন্নয়ন একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে। এমন নয় যে শুধু শহরভিত্তিক করে যাচ্ছি। কারণ এই দেশটা আমরা স্বাধীন করেছি, জাতির পিতা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। তাই মানুষের কাছে স্বাধীনতার সুফল যাতে পৌঁছায়, সেভাবে আমরা কাজ করছি। যার ফল দেশের মানুষ পাচ্ছে।

পাঁচটি সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী ঠিক করতে সন্ধ্যা সাতটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভা শুরু হয়। বৈঠকে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ওবায়দুল কাদের, শেখ ফজলুল করিম সেলিমসহ দুটি বোর্ডেরই অধিকাংশ নেতাই উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরিবর্তন হচ্ছে কিনা, তা গত এক সপ্তাহ ধরেই বন্দরনগরীর রাজনৈতিক অঙ্গনে চলে জোর আলোচনা, বিশ্লেষণ। কারণ মেয়র হিসেবে নৌকার মাঝি হতে বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের পাশাপাশি সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম বিএসসি, সাবেক সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ সালাম, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম, নগর কমিটির নেতা খোরশেদ আলম সুজনসহ ২০ মনোনয়নপ্রত্যাশী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় ও গোয়েন্দা তরফে মাঠ জরিপসহ সবকিছু বিশ্লেষণ শেষে অনেকটাই চমক দিয়ে পরবর্তী মেয়র হিসেবে নতুন মুখ রেজাউল করিম চৌধুরীকেই বেছে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। তাকেই আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে পাঁচটি সংসদীয় শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের ছেড়ে দেয়া ঢাকা-১০ আসনে কে মনোনয়ন পাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় এ আসনটিতে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিআই-এর সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনকে। এ আসনে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনসহ কয়েকজন দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের কপালে জোটেনি নির্বাচনী প্রতীক নৌকা।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত এক দশকে আমরা বাংলাদেশের যে উন্নয়নটা করতে পেরেছি, তা অতীতে কোন সরকারের পক্ষে সম্ভব হয়নি। আজকে বাংলাদেশকে আমরা দারিদ্র্যমুক্ত করতে পেরেছি, দারিদ্র্য ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছি। ইনশাআল্লাহ সম্পূর্ণ দারিদ্র্যমুক্ত করতে পারব। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের গতিকে অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। দলের নেতাকর্মীদের জনগণের কাছে গিয়ে ভোটের কথা বলতে হবে। সরকারের উন্নয়নের কথা প্রচার করে আওয়ামী লীগের পক্ষে জনসমর্থন বাড়াতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছতে হবে। একই সঙ্গে সংগঠনকে তৃণমূল থেকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। আর নির্বাচনে আমি জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই তারা বারবার আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। দেশের জনগণের সেবা করার সক্ষমতা পেয়েছি। জনগণ যে তাদের সেবা করার দায়িত্বটা আমাদের দিয়েছে, আমরা সেটাই পালন করতে চাচ্ছি। আমাদের উন্নয়ন কর্মকা-গুলো মাঠ পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। আমরা যদি সঠিকভাবে আমাদের উন্নয়নের কথাগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারি তাহলে ভোটে কিন্তু আর অসুবিধা হওয়ার কথা না। জনগণের বিশ্বাস, আস্থা আমরা অর্জন করতে পেরেছি। দীর্ঘদিন একটানা সরকারে থেকেও জনগণের যে আস্থাটা ধরে রাখতে পেরেছি। এটাও একটা বড় অর্জন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের গতি ও ধারাটা অব্যাহত রাখতে হলে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। নৌকা মার্কা ছাড়া এই উন্নয়ন হয় না। নৌকা মার্কা স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, আর এই নৌকার মাধ্যমেই সব অর্জন। কাজেই আপনারা জনগণের কাছে যাবেন। জনগণের কাছে যেয়ে ভোটের কথা বলবেন। এখনও যেহেতু চট্টগ্রামের সিডিউল ঘোষণা হয়নি। কাজেই আমি নিশ্চিয় ভোট চাইতে পারি। সেই অধিকার আমার রয়েছে। আমি শুধু এইটুকু বলব আপনারা যদি আমাদের উন্নয়নের কথা জনগণের কাছে পৌঁছান নিশ্চিয় তারা ভোট দিবে। বিশেষ করে আমাদের মা-বোনেরা। কারণ নারী ক্ষমতায়নে ও উন্নয়নে আমরা অনেক এগিয়ে গিয়েছি। আমরা সকল শ্রেণীর উন্নয়ন করে যাচ্ছি। কোন শ্রেণীকে বাদ দিচ্ছি না।

শেখ হাসিনা বলেন, যে স্বপ্ন নিয়ে আমার বাবা দেশটা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন, তা পূরণ করতে হবে। এটাই হলো আমার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। সেখানেই আপনাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। আপনারা নিঃস্বার্থভাবে দেশের সেবা করবেন। জীবনের সকল চাওয়া-পাওয়ার উর্ধে উঠে যদি কাজ করতে পারেন, তাহলে মানুষের সে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করা যাবে। এটাই একজন রাজনীতিবিদের বড় পাওয়া। তাই প্রতিটা নেতাকর্মীকে জাতির আদর্শে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নের তো কোন সীমাই নেই। এত বেশি উন্নয়ন আমরা করেছি। আপনাদের মনে আছে, আমাদের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী আন্দোলন করেছিলেন কর্ণফুলী নদী দিয়ে টানেল করতে। আজকে সেই টানেল আমরা নির্মাণ করেছি। কিন্তু আমাদের দুভার্গ্য তিনি বেঁচে নেই, দেখে যেতে পারলেন না। ঠিক সেভাবে সারাটা বাংলাদেশের সব বিভাগেই উন্নয়ন করে যাচ্ছি। এমনকি বগুড়ায়ও, যে বগুড়ায় আমাদের ভোটও দেয়নি। সেই বগুড়ারও যত উন্নয়ন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই হয়েছে, বগুড়ার লোক থাকতেও অত উন্নয়ন হয়নি যতটুকু আমরা করতে পেরেছি। ঠিক সেভাবে যশোর, বাগেরহাট, গাইবান্ধায় হয়েছে। এক সময় গাইবান্ধায় দুর্ভিক্ষ লেগেই থাকত, আজকে সেই গাইবান্ধার অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আর ঢাকার উন্নয়নের জন্য আমরা ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের প্রতিটা উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামের মানুষ যে সমান সুবিধাগুলো পায়। সেখানে যেন উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছায়।

এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে যৌথসভা শুরু হলে শূন্য হওয়া পাঁচটি সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন এবং চসিক নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার নেয়া হয়। প্রথমে গাইবান্ধা-৩ আসনের উপ-নির্বাচনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার নেয়া হয়। এরপর একে একে যশোর-৬, বাগেরহাট-৪ ও বগুড়া-১ আসনের উপ-নির্বাচন এবং চসিক নির্বাচনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলেন বোর্ড সদস্যরা। এ সময় দল থেকে যাকেই প্রার্থী করা হোক না কেন, তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন সকল মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা এই সভায় যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে আবারও যৌথসভা শুরু হয়ে তা রাত ১১টায় শেষ হয়।

এর আগে গত শুক্রবার পর্যন্ত চলেছে পাঁচটি আসনের উপ-নির্বাচন ও চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেয়ার কাজ। এ সময় ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩, বাগেরহাট-৪, বগুড়া-১ এবং যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে মোট ৭৮ প্রার্থী মনোনয়ন ফরম ক্রয় ও জমা দেন। অন্যদিকে চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ২০ জন এবং কাউন্সিলর পদে ৪০৫ জন দলের মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

পাঁচটি শূন্য আসনের মধ্যে ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ এবং বাগেরহাট-৪ আসনের উপ-নির্বাচন আগামী ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পদত্যাগের কারণে ঢাকা-১০ আসনটি শূন্য হয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ডাঃ ইউনুস আলী সরকারের মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ এবং মোজাম্মেল হোসেনের মৃত্যুতে বাগেরহাট-৪ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল মান্নানের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া বগুড়া-১ এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের পথে থাকা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 doinikprovateralo.Com
Desing & Developed BY Md Mahfuzar Rahman