৪০ হাজার বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে নেয়ায় ওমানকে ঢাকার কৃতজ্ঞতা

৪০ হাজার বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে নেয়ায় ওমানকে ঢাকার কৃতজ্ঞতা

ওমানের সুলতান হাইতাম বিন তারিক আল সাঈদকে বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। গতকাল ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ বদর বিন হামাদ বিন হামুদ আল বুসাইদির সঙ্গে টেলিফোন আলাপে মন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান। সেই সঙ্গে মহামারি করোনার কঠিন মুহূর্তে দেশটিতে থাকা প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশিকে দেখভাল করা, একজনেরও চাকরিচ্যুতির মতো ঘটনার শিকার না হওয়া এবং ঢাকায় আটকে পড়া প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিককে বিমান যোগাযোগ সচলের পর ফিরিয়ে নেয়ার জন্য মন্ত্রী মোমেন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ওমানের প্রতি আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। দুই মন্ত্রীর টেলিফোন আলাপ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রচারিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- সম্প্রতি ওমানের প্রচেষ্টায় কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব হওয়ায় মন্ত্রী দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। বিজ্ঞপ্তি মতে, বাংলাদেশে সফলতার সঙ্গে করোনা মোকাবিলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের প্রশংসা করেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদানসহ দু’দেশ পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দু’দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে আরো দৃঢ় হচ্ছে। বদর আল বুসাইদি ওমানের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

করোনার মধ্যে ওমান সরকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে রয়েছে বলে জানান তিনি। এ বছরের প্রথমার্ধে দু’দেশের মধ্যে ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) অনুষ্ঠানের বিষয়ে দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মতি জ্ঞাপন করেন জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- আসন্ন এফওসিতে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে। দু’দেশের সরকারি ও কূটনীতিক পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা অব্যাহতি প্রদান বিষয়ক চুক্তি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হবে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দ্রুত নির্ধারণ করা হবে। ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারিকে স্বাক্ষরকারী হিসেবে ওমান এরইমধ্যে নিযুক্ত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়- মধ্যপ্রাচ্যের ওই দেশে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য আমদানির আহ্বান জানান মন্ত্রী মোমেন। এ সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগে রিটার্ন অব ইনভেস্টমেন্ট প্রতিবেশী দেশের তুলনায় বেশি বলেও উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও অবকাঠামো উন্নয়নে ওমানের আরো বেশি বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন। বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার চিহ্নিত করাসহ দু’দেশের ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কৃষি ও মৎস্য চাষ বিষয়ক পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ড. মোমেন উল্লেখ করেন। এ সময় ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের জিডিপি’র প্রবৃদ্ধিসহ সার্বিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। এ ছাড়া তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্কেরও প্রশংসা করেন। মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের আদি নিবাসে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে ওমানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ওমানের সুলতান হাইতাম বিন তারিক আল সাঈদকে বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। গতকাল ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ বদর বিন হামাদ বিন হামুদ আল বুসাইদির সঙ্গে টেলিফোন আলাপে মন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান। সেই সঙ্গে মহামারি করোনার কঠিন মুহূর্তে দেশটিতে থাকা প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশিকে দেখভাল করা, একজনেরও চাকরিচ্যুতির মতো ঘটনার শিকার না হওয়া এবং ঢাকায় আটকে পড়া প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিককে বিমান যোগাযোগ সচলের পর ফিরিয়ে নেয়ার জন্য মন্ত্রী মোমেন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ওমানের প্রতি আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। দুই মন্ত্রীর টেলিফোন আলাপ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রচারিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- সম্প্রতি ওমানের প্রচেষ্টায় কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব হওয়ায় মন্ত্রী দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। বিজ্ঞপ্তি মতে, বাংলাদেশে সফলতার সঙ্গে করোনা মোকাবিলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের প্রশংসা করেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদানসহ দু’দেশ পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দু’দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে আরো দৃঢ় হচ্ছে। বদর আল বুসাইদি ওমানের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

করোনার মধ্যে ওমান সরকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে রয়েছে বলে জানান তিনি। এ বছরের প্রথমার্ধে দু’দেশের মধ্যে ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) অনুষ্ঠানের বিষয়ে দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মতি জ্ঞাপন করেন জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- আসন্ন এফওসিতে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে। দু’দেশের সরকারি ও কূটনীতিক পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা অব্যাহতি প্রদান বিষয়ক চুক্তি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হবে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দ্রুত নির্ধারণ করা হবে। ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারিকে স্বাক্ষরকারী হিসেবে ওমান এরইমধ্যে নিযুক্ত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়- মধ্যপ্রাচ্যের ওই দেশে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য আমদানির আহ্বান জানান মন্ত্রী মোমেন। এ সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগে রিটার্ন অব ইনভেস্টমেন্ট প্রতিবেশী দেশের তুলনায় বেশি বলেও উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও অবকাঠামো উন্নয়নে ওমানের আরো বেশি বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন। বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার চিহ্নিত করাসহ দু’দেশের ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কৃষি ও মৎস্য চাষ বিষয়ক পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ড. মোমেন উল্লেখ করেন। এ সময় ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের জিডিপি’র প্রবৃদ্ধিসহ সার্বিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। এ ছাড়া তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্কেরও প্রশংসা করেন। মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের আদি নিবাসে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে ওমানের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 doinikprovateralo.Com
Desing & Developed BY Md Mahfuzar Rahman